ক্যান্টন ফেয়ার
গুয়াংজু যান, তবে কারেক্ট সপ্তাহে!
মনে রাখবেন, ক্যান্টন ফেয়ার এক সপ্তাহে শেষ হয় না—তিনটা আলাদা ফেয়ার হয় তিন সপ্তাহে। নতুন বায়ারদের সবচেয়ে কস্টলি ভুলটাই হলো ভুল উইকে হাজির হওয়া!
পরের ফেয়ার: 141তম ক্যান্টন ফেয়ার
গুয়াংজু, চায়না- ফেজ 115–19 এপ্রিলইলেকট্রনিকস, মেশিনারি, গাড়ি, বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল, লাইটিং
- ফেজ 223–27 এপ্রিলহোম গুডস, গিফট, সিরামিক, ফার্নিচার, কিচেনওয়্যার
- ফেজ 31–5 মেটেক্সটাইল ও গার্মেন্টস, জুতা, ব্যাগ, অফিস সাপ্লাই, হেলথ প্রোডাক্ট
ভিসা শুরু করুন -এর মধ্যে
ফেজ 1-এর 6 সপ্তাহ আগে
ফেজ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
একটা ফেজ শেষ হলে পুরো কমপ্লেক্স খালি করে নতুন করে পরেরটা বসানো হয়—আলাদা হল, আলাদা এক্সিবিটর, মাঝে পাঁচ দিনের গ্যাপ। ধরুন আপনি হোম অ্যাপ্লায়েন্সের লাইনে আছেন, কিন্তু বুকিং হয়ে গেল টেক্সটাইলের সপ্তাহে—তাহলে আপনার সাপ্লায়ার ওই বিল্ডিংয়েই নেই। এটা আর টিকিট দিয়ে ঠিক করা যায় না।
তাই প্রথমেই বলুন আপনি কী কেনেন। আমরা আপনাকে ঠিক ফেজে বসিয়ে দেব, তারপর সেই ডেট ধরে পেছন থেকে ভিসা আর ফ্লাইটের পুরো গেম-প্ল্যান সাজিয়ে দেব।
আমরা কী কী সামলাই
ইনভিটেশন লেটার
আপনার ট্রেড লাইসেন্স আর বায়ার রেজিস্ট্রেশন দিয়ে ফেয়ার অর্গানাইজারের কাছ থেকে আনিয়ে দিই।
বিজনেস ভিসা ফাইল
ফর্ম, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ট্রেড লাইসেন্স, ছবি, অ্যাপয়েন্টমেন্ট—জমা দেওয়ার আগে পুরো ফাইল একবার মিলিয়ে নিই।
রিটার্ন ফ্লাইট
ঢাকা–গুয়াংজু। IATA অ্যাক্রেডিটেশনে ইস্যু, তাই ডেট চেঞ্জ লাগলে আমাদের বললেই হয়ে যায়।
হোটেল
কমপ্লেক্সের কাছে, নয়তো মেট্রো লাইনের ওপরে। জ্যাম ঠেলে এক ঘণ্টা দূরে নয়।
বায়ার পাস
আপনার প্রোডাক্ট যে ফেজে পড়ে, সেই ফেজের রেজিস্ট্রেশন আর ব্যাজ তোলা।
মাঠে সাপোর্ট
সঙ্গে এমন একজন, যিনি হল চেনেন, ট্রান্সলেট করতে পারেন, আর আগেও এই ট্রিপ করেছেন।
কাগজপত্র এখন থেকেই গোছান
ভিসা রিজেক্ট বেশিরভাগ সময় হয় দুর্বল ফাইলের কারণে, আবেদনকারীর কোনো সমস্যার জন্য নয়। যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললে আজ থেকেই এগুলো গোছাতে বসুন।
- পাসপোর্ট—অন্তত ছয় মাস মেয়াদ আছে, খালি পাতাও আছে
- ট্রেড লাইসেন্স, আর থাকলে IRC
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট আর ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট
- ভিজিটিং কার্ড আর কোম্পানির প্যাড
- চায়না ভিসার স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী তোলা নতুন ছবি
টাইমিং নিয়ে একটা কথা
ফেয়ারের আগের মাসে সবাই একসাথে অ্যাপ্লাই করে। তখন অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট মেলে না, প্রসেসিংও ধীর হয়ে যায়। ছয় সপ্তাহ আগে শুরু করলে বাড়তি এক টাকাও লাগে না, অথচ প্লেনে ওঠার ব্যাপারে এটাই সবচেয়ে কাজের সিদ্ধান্ত।
হাতে ছয় সপ্তাহের কম সময়? ইমেইল না করে সরাসরি ফোন দিন—এখনো অনেক কিছু ম্যানেজ করা যায়।
ফেয়ার ট্রিপ শুরু করি?
আপনি কী কেনেন আর কোন সিজন ধরতে চান—এই দুইটা বলুন। কোন ফেজ, কোন ডেট ধরে এগোতে হবে আর খরচ কেমন পড়বে, সব জানিয়ে দেব।